Skip to content

সুরকাহনের সুরে মুক্তির গান

গানের সুরে সুরে তাদের আলাপ শুরু হয়েছিল…. আর সেই গান নিয়েই বহু আরোহন অবরোহন পেরিয়ে তাদের পথ চলা। অনিশ্চয়তা ও আনন্দের মোহনা দিয়ে কখনও অনুকূলে কখনও বা প্রতিকূলে   হেঁটে চলা এই পৃথিবীতে একদল বন্ধুরা মিলে ঠিক করল ফের আঁকড়ে ধরবে একে অন্যের হাত। লোকে বলবে এরা সাময়িক কিন্তু তার চাইতেও এদের হুজুগে বলাই ভালো। যাক, সেই হুজুগে দল ঠিক করলো যে তারা  গাইবে মুক্তির গান। সেই গান মানুষকে করবে স্বনির্ভর, স্ব-অধীন, সুনিয়ন্ত্রিত এবং সচেতন যা সম্ভব হবে তখনই যখন সেই মানুষ  সংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ভাষাগত ভাবেও সমস্ত বিভাজনকে দূরে সরিয়ে রেখে যথার্থভাবে ‘বিশ্বজনীন মানুষ’ হয়ে উঠতে পারবে ।

সেই বিশ্বজনীন মানুষের স্বপ্ন দেখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। যিনি বলেছিলেন,””দেশে জন্মালেই দেশ আপন হয় না।যতক্ষণ দেশকে না জানি,যতক্ষণ তাকে নিজের শক্তিতে জয় না করি,ততক্ষণ দেশ আপন হয় না।… আমার দেশ আর কেউ আমাকে দিতে পারবে না।নিজের সমস্ত ধন-মন-প্রাণ দিয়ে দেশকে যখনই আপন বলে জানতে পারব তখনই দেশ আমার স্বদেশ হবে।”(দেশের কাজ, পল্লীপ্রকৃতি)

 এই হুজুগে দল রবীন্দ্রনাথের এই আদর্শ কেই আপন করে নিলো আর তাঁর সঙ্গী হলেন এ.আর. রহমান; বর্তমানে যাঁর সুরে উত্তরে কাশ্মীর থেকে দক্ষিণে কন্যাকুমারীকা আবার পশ্চিমে গুজরাট থেকে পূর্বে বাংলা পর্যন্ত বারবার একসূত্রে গাঁথা পড়েছি আমরা ।  এই সকল স্রষ্টাদের সৃষ্টিতে যে সর্বজনীন  ভারতবর্ষের প্রকাশ ঘটেছে – এই হুজুগে দল তাদের কে অবলম্বন করেই এই ভারতবর্ষের বিপুলতা কে আরো একবার স্মরণ করেছে।

স্থূল চোখে দেখলে এদেশের সবকিছুই আলাদা কিন্তু যদি সেই  বিভিন্নতা গুলির এই সামঞ্জস্যপূর্ণ মেল বন্ধনে কান পাতা যায়, তবে সেই বিভিন্নতার মধ্যেও অনুরণিত হবে এক ঐক্যের সুর। সেই একের মন্ত্রকেই আবারও তাদের নতুন কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিধ্বনিত করতে চেয়েছে হুজুগে দল। তারা বেছে নিয়েছে এই দুজন মহান সঙ্গীত স্রষ্টাকেই, যাঁদের সুর ও সৃষ্টিকে  এক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টায় তারা গভীর মনন ও চিন্তন এর মাধ্যমে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়েছে । এই দুজন স্রষ্টার সৃষ্টির মধ্যেই ভারতের  সুরের নদীকে বিশ্বসুরের মোহনায় মিশিয়ে দিতে চেয়েছে হুযুগে দল।

এবছরের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে তাই হুজুগে দলের নতুন কাজ ‘আজাদি’ সেই ঐক্যের সুর নিয়েই এগিয়ে চলার কথা ভেবেছে, তাদের তরফ থেকে সকলকে জানানো হল ৭৫তম স্বাধীনতা দিবস ও আগামীর শুভেচ্ছা। সোমঋতা, অরুন্ধতী, সোমদত্তা, শ্রবণা, বল্লরী, অঙ্কিতা, প্রত্যয়, অঞ্জিষ্ণু, দীপাঞ্জন, নীলাঞ্জন, দেবলীনা (দেবলীনা এই কাজে অনিবার্য কারণে অংশগ্রহণ করতে পারেনি) – বন্ধুদের এই দলটি আপনাদের সকলের সঙ্গে গলা মেলাবে বলে নিয়ে এল তাদের নতুন ভিডিও ‘আজাদি’।  শব্দ-যন্ত্র ও ভিডিওর কাজে তাঁদের সমস্তটুকু দিয়ে পুরো বিষয়টিকে এক অন্য স্তরে নিয়ে গেলেন রণদীপ আর সৌম্যদীপ।

গানের লিংক টি আপনাদের জন্য এখানে রইলো, এই কাজের পাশে থেকে ঐক্যের সুর অনুরণন করলে আগামীর দিন আরো সুন্দর হতে পারে।

Copyright © Kothabriksha 2021, All Rights Reserved

সুরকাহনের সুরে মুক্তির গান

অস্তরাগের রেশ – রত্না রায়

ইতি, নীলু – স্বস্তিক মজুমদার

ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মেডিক্যাল ক্যাম্প সংক্রান্ত রিপোর্ট – পর্ব ২

অনেক অতিমারী ভাইরাস সমাজ ব্যবহারে অহরহ ঘুরে বেড়ায় যা মাস্ক-ডিসটেন্স বজায় রেখেও অনতিক্রম্য – মানবী বন্দোপাধ্যায়

Adhunik Bangla Gan Ambika Ghosh benaras Bengal Bengali Literature Bengali Poetry bengali short story coronavirus Dakshinee dreams Durga Puja Editorial Emotions folk culture indian politics Kashmir Kobita kolkata kothabriksha lockdown Music Nature nilimesh ray poem Poetry Pratyay Pratyay Raha pritam chowdhury Rabindranath Rabindranath Tagore Rabindrasangeet Religion Sayandeep Paul sharodiya shonkhya shortstory society Srabanti Sen Stories Story Sustainable Travel Suvo Guha Thakurta Theatre travel Travelogue World Environment Day

Published inCritical Appreciation

Be First to Comment

Leave a Reply

%d bloggers like this: